ভোটের দিন এগিয়ে আসার সঙ্গে প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ বাড়ছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। অনুষদ থেকে হল তো বটেই, ক্যাম্পাসের মোড়ে মোড়ে এখন নির্বাচনী আমেজ। ইশতেহারের ঝাঁপি নিয়ে ভোটারদের কাছে যাচ্ছেন প্রার্থীরা, দিচ্ছেন বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি। আর যাচাই-বাছাই করে ভোটাধিকার প্রয়োগের কথা বলছেন শিক্ষার্থীরা।
নির্বাচনী আমেজ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। ষষ্ঠ দিনের প্রচারণায় বিভিন্ন অনুষদ আর হলগুলোয় ছুটছেন প্রার্থীরা। ক্যাম্পাসজুড়ে বিভিন্ন পয়েন্টেও গণসংযোগে ব্যস্ত অনেকে।
১১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে ভিপি পদে ১০ জন, জিএস পদে নয় জনসহ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ১৭৯ জন। এরই মধ্যে প্রায় সব প্রার্থীই ঘোষণা করেছেন নির্বাচনী ইশতেহার। ভোটারদের কাছে গিয়ে সে ইশতেহার পুরোপুরি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতিও দিচ্ছেন তাঁরা।
ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী শেখ সাদি হাসান বলেন, ‘হলে হলে, ফ্যাকালটির সামনে যাচ্ছি আমাদের ভাই-বোনদের সমস্যাগুলো শুনছি। সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতিও দিচ্ছি।’
সংশপ্তক পর্ষদ প্যানেলের এজিএস (নারী) সোহাগী সামিয়া বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারের ক্ষেত্রে প্রশাসন অনেক বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে। প্রতিটা ক্লাসে যাওয়া যাচ্ছে না, ফ্যাকালটির সামনে বোর্ড দেওয়া হয়েছে যেগুলোতে পোস্টার সাঁটানো যাচ্ছে না। এ রকম নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে আমরা নির্বাচনী প্রচার চালিয়ে যাচ্ছি।’
স্বতন্ত্র অঙ্গীকার পরিষদের এজিএস (পুরুষ) নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নানা আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি বলে আগে থেকেই সবার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রয়েছে। সেই জায়গা থেকেই সকলের কাছে ভোট চাচ্ছি। শিক্ষার্থীরা আমাদের সঙ্গে আছে।’
ভোটাররা বলছেন, কথার মায়াজালে না আটকে যাচাই-বাছাই করে ভোট দেবেন। ক্যাম্পাসের পরিবেশ উন্নয়নে যোগ্যরাই পছন্দের তালিকায় শীর্ষে থাকবেন।



