জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ। বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ব্যালট বক্সগুলো নেওয়া হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন প্রশাসনিক ভবনে অবস্থিত নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে। ভোট গণনায় বিশৃঙ্খলা এড়াতে সেখানে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সদস্যকে মোতায়েন করা হয়েছে।
এছাড়া ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পয়েন্টে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন আছেন। পুলিশের পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করছেন এপিবিএন, বিজিবি ও র্যাবের সদস্যরা।
৩৩ বছর পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে জাকসুর এই নির্বাচন। এতে আংশিক ও পূর্ণাঙ্গ মিলে মোট সাতটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এর মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্যানেলগুলো হলো—ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেল, ছাত্রশিবির-সমর্থিত সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট, প্রগতিশীল শিক্ষার্থীদের সম্প্রীতির ঐক্য এবং গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ–সমর্থিত শিক্ষার্থী ঐক্য ফোরাম।
আংশিক প্যানেল দিয়েছে স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী সম্মিলন, স্বতন্ত্র অঙ্গীকার পরিষদ এবং ছাত্র ইউনিয়ন ও ছাত্র ফ্রন্টের সংশপ্তক পর্ষদ। এছাড়া অনেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়ছেন।
সহসভাপতি (ভিপি) পদে লড়ছেন ৯ জন প্রার্থী। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ৮ জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (নারী) পদে ৬ জন এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (পুরুষ) পদে লড়ছেন ১০ জন। কেন্দ্রীয় সংসদের মোট ২৫টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১৭৭ জন প্রার্থী।
নির্বাচনে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ভোট বর্জন করেছে ছাত্রদল ও কয়েকটি বাম সংগঠন। জাতীয়তাবাদী শিক্ষকরাও নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে।
অবশ্য, ছাত্রশিবির-সমর্থিত সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট বলছে, ভোট চলবে।



