জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ-জাকসু নির্বাচনের প্রচারণা শেষ হচ্ছে মধ্যরাতে। শেষ মুহূর্তে ভোটারদের মন জয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে নানা প্রতিশ্রুতির আশ্বাস দিচ্ছেন তারা। আজ সব প্রার্থীর ডোপ টেস্ট করা হচ্ছে, এতে পজিটিভ হলে বাতিল হবে প্রার্থিতা।
৩৩ বছর পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ জাকসু নির্বাচন ঘিরে উৎসবমুখর ক্যাম্পাস। প্রচারণার শেষ মুহূর্তে ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টায় ব্যস্ত প্রার্থীরা। দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি।
এজিএস প্রার্থী তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে শিক্ষার্থীরা নির্দলীয় প্রার্থীদের ভোট দেবে বলে আমরা আশাবাদী।’
স্বতন্ত্র ভিপি প্রার্থী রাব্বি হোসেন বলেন, ‘এই যে আমার এত বড় একটি সমর্থক প্যানেল। এই ব্যাপারটি আমাকে জয়ে ব্যাপারে আরও আত্মবিশ্বাসী করেছে।’
মঙ্গলবার শেষ দিনের প্রচারণায় ছাত্রদলের প্যানেলের প্রার্থীরা বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তাদের জয় নিশ্চিত।
ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী শেখ সাদি হাসান বলেন, ‘আমরা আশা করি ১১ তারিখ শিক্ষার্থীরা যে রায় দেবে সেই রায়ে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্যালেন জয়লাভ করবে।’
জাকসু নির্বাচন ঘিরে উচ্ছ্বসিত ভোটাররাও। সৎ, যোগ্য প্রার্থীকেই ভোট দেয়ার কথা বলছেন তারা।
ভোটের দুই দিন আগে, মঙ্গলবার সব প্রার্থীর ডোপ টেস্ট করা হয়। এ পরীক্ষায় পজিটিভ হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
জাকসু নির্বাচনে কেন্দ্রীয় সংসদে ২৫টি পদে লড়ছেন মোট ১৭৮ জন প্রার্থী। ভিপি পদে প্রার্থী ৯ জন, জিএস পদেও ৯ জন। জাকসুর ভোটগ্রহণ বৃহস্পতিবার।



