ভোট বর্জন প্রার্থীর অধিকার বলে মন্তব্য করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে শিবির–সমর্থিত প্যানেল সমন্বিত শিক্ষার্থী জোটের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম। ছাত্রদলের ভোট বর্জনের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
মাজহারুল বলেন, “নির্বাচনে কিছু ত্রুটি থাকলেও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এখন পর্যন্ত সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে। ভোট বর্জন করা প্রার্থীর গণতান্ত্রিক অধিকার। ছাত্রদল কী করবে সেটা তাদের ব্যাপার।”
এর আগে, অনিয়মের অভিযোগ তুলে জাকসু নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয় ছাত্রদল। বৃহস্পতিবার দুপুরে ভোট চলাকালীন সময়েই এ ঘোষণা আসে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মাওলানা ভাসানী হলে এক ব্রিফিংয়ে ছাত্রদলের জিএস প্রার্থী তানজিলা হোসাইন বৈশাখী ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ আনেন। এ নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরতে একটি সংবাদ সম্মেলন হবে বলেও জানান তিনি।
৩৩ বছর পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে জাকসুর এই নির্বাচন। এতে আংশিক ও পূর্ণাঙ্গ মিলে মোট সাতটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এর মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্যানেলগুলো হলো—ছাত্রদল–সমর্থিত প্যানেল, ছাত্রশিবির–সমর্থিত সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট, প্রগতিশীল শিক্ষার্থীদের সম্প্রীতির ঐক্য এবং গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ–সমর্থিত শিক্ষার্থী ঐক্য ফোরাম।
আংশিক প্যানেল দিয়েছে স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী সম্মিলন, স্বতন্ত্র অঙ্গীকার পরিষদ এবং ছাত্র ইউনিয়ন ও ছাত্র ফ্রন্টের সংশপ্তক পর্ষদ। এছাড়া অনেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়ছেন।
সহসভাপতি (ভিপি) পদে লড়ছেন ৯ জন প্রার্থী। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ৮ জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (নারী) পদে ৬ জন এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (পুরুষ) পদে ১০ জন। কেন্দ্রীয় সংসদের মোট ২৫টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১৭৭ জন প্রার্থী।
ভোটের শুরু থেকেই শিবির ও ছাত্রদলের প্রার্থীরা একে অপরের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলেছেন।



