আরও এক জিম্মির মরদেহ ইসরায়েলের কাছে হস্তান্তর করেছে হামাস। এখনও হামাসের হাতে থাকা ১৮ জিম্মির মরদেহ পেতে চাপ বাড়াচ্ছে ইসরায়েল। মরদেহের খোঁজে গাজায় গেছে আন্তর্জাতিক একটি দল। সেখানে ভারী যন্ত্রের মাধ্যমে চলছে মরদেহ উদ্ধারের অভিযান। এদিকে, যুদ্ধবিরতির এক সপ্তাহ পরও গাজায় ত্রাণ সরবরাহে ইসরায়েল বাধা দিচ্ছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।
দুই বছর ধরে চলা ইসরায়েলি আগ্রাসনে মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে গোটা গাজা উপত্যকা। ধ্বংসস্তুপের নিচে চাপা পড়ে নিখোঁজ রয়েছে অসংখ্য ফিলিস্তিনি। কেবল ফিলিস্তিনিরাই নয়, অসংখ্য বহুতল ভবনের ধ্বংসস্তুপের নিচে রয়েছে হামাসের সুড়ঙ্গ, যেখানে আটকা পড়েছে বেশ কয়েকজন জিম্মির মরদেহ।
যুদ্ধবিরতি চুক্তির অধীনে উদ্ধার করা সব মরদেহই ফেরত দিয়েছে হামাস। তবে ধ্বংসস্তুপে চাপা পড়া মরদেহ উদ্ধারে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে তাদের। আর বাকি জিম্মিদের মরদেহ না পেলে যুদ্ধবিরতির শর্ত ভেঙে আবারও হামলার হুমকি দিচ্ছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র।
মরদেহগুলো খুঁজে বের করতে গাজায় একটি আন্তর্জাতিক দল প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম। ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শিগগিরই তাদের কাজ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
এদিকে, যুদ্ধবিরতির এক সপ্তাহ পরও গাজায় ত্রাণ সরবরাহে ইসরায়েল বাধা দিচ্ছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। তথ্য বলছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর দিনে গাজায় প্রবেশ করছে ৫৬০ টন খাবার। তবে দুর্ভিক্ষকবলিত উপত্যকায় এই ত্রাণ প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম।
গাজায় ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, রাফা সীমান্তে ত্রাণ নিয়ে অপেক্ষা করছে সারিবদ্ধ ট্রাক। এ অবস্থায় চুক্তি অনুযায়ী গাজায় ত্রাণ প্রবেশের জন্য রাফা সীমান্ত খুলে দিতে ইসরায়েলের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে মধ্যস্থতাকারী ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে হামাস।



