আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে দেশি ও বিদেশি উৎস থেকে নেওয়া ঋণের সুদ পরিশোধের জন্যই বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা। এটি প্রস্তাবিত পরিচালন ব্যয়ের ২২ শতাংশের বেশি।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আবুর হাসান মাহমুদ আলী আগামী ২০২৪–২৫ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এতে মোট ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেটের প্রস্তাব করা হয়। এর মধ্যে শুধু পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৪৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ৬৮ দশমিক ৪৩ শতাংশ।
প্রস্তাবিত বাজেটে পরিচালন ব্যয়ের একটি বড় অংশই যাচ্ছে দেশি ও বিদেশি উৎস থেকে নেওয়া ঋণের সুদ পরিশোধে। আগামী অর্থবছরে এ বাবদ ব্যয় হবে ১ লাখ ১৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, যা মোট পরিচালন ব্যয়ের প্রায় ২২ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
এর মধ্যে দেশি উৎস থেকে নেওয়া সুদ পরিশোধ বাবদ ব্যয় হবে ৯৩ হাজার কোটি টাকা। আর বিদেশি উৎস থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধে ব্যয় হবে ২০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
প্রস্তাবিত মোট ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেটের মধ্যে ঘাটতি থাকছে ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ৪ দশমিক ৬ শতাংশ। এর মধ্যে অনুদান থেকে ঘাটতি পূরণ করা হবে ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকার। ফলে অনুদান বিবেচনায় নিলে ঘাটতি দাঁড়ায় ৫১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টায় বাজেট অধিবেশন শুরু হয়। জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর অনুমতিক্রমে বাজেট প্রস্তাব উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।



