জমি ও ফ্ল্যাট নিবন্ধন কর ২২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৭ শতাংশ করার দাবি জানিয়েছে আবাসন খাতের ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিহ্যাব। আর জুয়েলারি বিক্রিতে ভ্যাট ৫ শতাংশের পরিবর্তে ৩ শতাংশ করার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি (বাজুস)। রোববার বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানায় সংগঠনগুলো।
গত বৃহস্পতিবার ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। বাজেটে জমি ও ফ্ল্যাটে বিনা প্রশ্নে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ রেখেছেন অর্থমন্ত্রী।
বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে আবাসন খাতের ব্যবসায়ীরা বলছেন, এ সিদ্ধান্ত বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী। এসময়, ফ্ল্যাট নিবন্ধন ব্যয় কমানোর দাবি জানান রিহ্যাব সভাপতি। বর্তমানে নিবন্ধন ফি ২২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবি তার।
রিহ্যাব সভাপতি মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ‘দেশের অর্থনীতিতে বিপুল পরিমাণ অপ্রদর্শিত অর্থ বিদ্যমান। এরজন্য এই বড় অংকের নিবন্ধন ব্যয় কিন্তু দায়ী। এবারের বাজেটর পর রেজিস্ট্রেশন খরচ সব মিলিয়ে ৭ শতাংশ করার প্রস্তাব করছি।’
এদিকে, বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে জুয়েলারি বিক্রিতে কর হার ৩ শতাংশে নামিয়ে আনাসহ ১৫ দফা দাবি জানায় জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাজুস। দাবি মানা না হলে, ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণাও দেয় সংগঠনটি।
বাজুসের কার্যনির্বাহী সদস্য আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমরা বলেছি যে, ৩ শতাংশ যদি হয় তাহলে এবং ভ্যাটের আওতায় যদি বেশি আসে, ইএফবি মেশিনও যদি বসে যায় আমাদের সেই প্রস্তাবগুলো আছে। তাহলে সারাদেশে ভ্যাটের পরিধি বাড়বে, ভ্যাট দেওয়ার উৎসাহ কাস্টমারদের আসবে এবং যারা বিক্রেতা তারাও ক্রেতাদের বোঝাতে পারবে দেশের জন্য মানুষের জন্য কল্যানের জন্য কাজ করছি।’
সারাদেশের জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ভ্যাট আদায়ের নামে এনবিআর হয়রানি করছে বলেও অভিযোগ করেন বাজুস নেতারা।



