আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নিয়ন্ত্রিত কর থেকে ৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা আয় করতে চায় সরকার। অর্থাৎ বাজেটের ৬০ দশমিক ২ শতাংশ অর্থের উৎস হিসেবে ধরা হয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নিয়ন্ত্রিত কর থেকে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী জাতীয় সংসদে ২০২৪–২৫ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবে এ কথা জানান।
এর বাইরে এনবিআর বহির্ভূত কর থেকে ১ দশমিক ৯ ও কর ব্যতীত প্রাপ্তি ৫ দশমিক ৮ শতাংশ ধরা হয়েছে। আর দেশিয় উৎস থেকে ঋণ ধরা হয়েছে ২০ দশমিক ২ শতাংশ। বিদেশি উৎস থেকে ঋণ ধরা হয়েছে মোট বাজেটের ১১ দশমিক ৪ শতাংশ। আর শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ অর্থ আসবে বৈদেশিক অনুদান থেকে। প্রায় ৮ লাখ কোটি টাকার এই বাজেটের ৩২ শতাংশের বেশি আসছে ঋণ ও অনুদান থেকে।
স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর অনুমতি নিয়ে মন্ত্রী তাঁর বক্তব্য শুরু করেন। আসন্ন অর্থবছরের জন্য অর্থমন্ত্রী ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাজেটের আকার প্রাক্কলন করা হয়েছে ৭ লক্ষ ৯৭ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপি’র ১৪.২ শতাংশ। পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে মোট ৫ লক্ষ ৩২ হাজার কোটি টাকা এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ২ লক্ষ ৬৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টায় জাতীয় সংসদে অধিবেশনে স্পিকার শিরীন শারমিনের অনুমতি নিয়ে বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। বাজেট অধিবেশন শুরুর আগে, বিশেষ মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট জাতীয় সংসদে উত্থাপনের অনুমতি দেওয়া হয়। দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে মন্ত্রিসভার এ বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।



