প্রস্তাবিত বাজেটে যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন খাতে আগামী অর্থবছরের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৮০ হাজার ৪৯৮ কোটি টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ খাতে ৮৫ হাজার ১৯১ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল। সেই হিসাবে এই খাতে চার হাজার ৬৯৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ কমছে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর অনুমতি নিয়ে মন্ত্রী তাঁর বক্তব্য শুরু করেন। প্রস্তাবে আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাজেটের আকার প্রাক্কলন করা হয়েছে ৭ লক্ষ ৯৭ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপি’র ১৪.২ শতাংশ।
বাজেটে সড়ক, রেল, নৌ ও বিমান পরিবহন উন্নয়নে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৮০ হাজার ৪৯৮ কোটি টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চেয়ে এবারের বাজেটের আকার চার দশমিক ছয় শতাংশ বাড়লেও যোগাযোগ খাতে বরাদ্দ কমছে চার হাজার ৬৯৩ হাজার কোটি টাকা।
আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাজেটের আকার প্রাক্কলন করা হয়েছে ৭ লক্ষ ৯৭ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপি’র ১৪.২ শতাংশ। পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে মোট ৫ লক্ষ ৩২ হাজার কোটি টাকা এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ২ লক্ষ ৬৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এর আগে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর অনুমতি নিয়ে মন্ত্রী তাঁর বক্তব্য শুরু করেন। আসন্ন অর্থবছরের জন্য অর্থমন্ত্রী ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এটি দেশের ৫৩তম, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের ২৫তম ও অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর প্রথম বাজেট।
বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টায় জাতীয় সংসদে অধিবেশনে স্পিকার শিরীন শারমিনের অনুমতি নিয়ে বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। বাজেট অধিবেশন শুরুর আগে, বিশেষ মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট জাতীয় সংসদে উত্থাপনের অনুমতি দেওয়া হয়। দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে মন্ত্রিসভার এ বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।



