দিল্লিতে সংসদীয় আসন রয়েছে সাতটি। এটি ভারতের রাজধানী শহর এবং এখানে দেশটির সংসদ ভবন অবস্থিত। এসব কারণে দিল্লির নির্বাচনী আসনগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, ভোট গণনার প্রাথমিক ফল অনুযায়ী দিল্লির সাতটি আসনেই এগিয়ে রয়েছে ক্ষমতাসীন জোট বিজেপি। এর আগে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনেও দিল্লির সবকটি আসনে জিতেছিল বিজেপি।
নির্বাচনী বিশ্লেষকেরা মনে করেছিলেন, এবার চিত্র ভিন্ন হবে। বিজেপির হয়তো সবকটি আসনে জয় পাওয়া সহজ হবে না। কারণ গত এপ্রিলে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে দুর্নীতির অভিযোগে কারাবন্দী করেছিল মোদির প্রশাসন। তারপর দিল্লিতে বিক্ষোভ করেছিল কেজরিওয়ালের দল আম আদমি পার্টির সমর্থকেরা।
বিশ্লেষকরে ভেবেছিলেন, কেজরিওয়ালকে কারাবন্দী করার কারণে বিজেপির জনসমর্থন কমতে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে ভোটের বাক্সে।
কিন্তু আজ দুপুর ১২ টা পর্যন্ত ভোট গণনার ফলাফলে দেখা গেছে, দিল্লির সবকটি আসনেই বিজেপি এগিয়ে রয়েছে।
গত মাসে জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন আরবিন্দ কেজরিওয়াল। পরে জামিনের মেয়াদ শেষে ২ জুন তিনি আবার কারাগারে ফিরে গেছেন। জামিনে মুক্ত থাকার সময় কেজরিওয়াল দিল্লিবাসীকে অনুরোধ করেছিলেন তাঁর দল এএপিকে ভোট দিতে, যাতে তাকে আর কারাগারে থাকতে না হয়।
কিন্তু আজ মঙ্গলবার প্রাথমিকে ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, তাঁর অনুরোধে সাড়া দেয়নি দিল্লিবাসী।
আজ মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে ভারতজুড়ে একযোগে কয়েক হাজার কেন্দ্রে ভোট গণনা শুরু হয়েছে। কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কড়া পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভোট গণনা উপলক্ষে সব ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে সোমবার রাত থেকেই দেশজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। যেসব এলাকায় কেন্দ্র রয়েছে তার আশপাশে পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
গত ১৯ এপ্রিল শুরু হয়েছিল ভারতের ১৮তম লোকসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। শেষ হয়েছে ১ জুন। দেড় মাসব্যাপী অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন ৬৪ কোটিরও বেশি ভোটার।



