ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা নরেন্দ্র মোদি। এর মধ্য দিয়ে টানা তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন তিনি। এর আগে ভারতে এই কৃতিত্ব ছিল কেবল সাবেক প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেস নেতা জওহরলাল নেহরুর। আজ রোববার মোদির সঙ্গে শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে ৩০ জন মন্ত্রীরও।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, মন্ত্রিপরিষদে মোট ৭৮ থেকে ৮১ জন মন্ত্রী থাকার কথা। তবে, রোববারই সবাই শপথ নেবেন না। গুরুত্বপূর্ণ অনেক নেতাই শপথ নেবেন এদিন।
এ তালিকায় থাকা বিজেপি নেতারা হলেন অমিত শাহ, রাজনাথ সিং, নিতিন গাদকারি, জেপি নাড্ডা, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ডিয়া, অর্জুন রাম মেঘওয়াল, রাকশা খাডসে, জিতেন্দ্র সিং, কিরেন রিজুজু, মানসুখ মান্ডাভিয়া, অশ্বিনী বৈষ্ণব, হারদিপ পুরি, জি কিশান রেড্ডি, হারদিপ সিং পুরি, শিবরাজ সিং চৌহান, রাও ইন্দ্রজিৎ সিং, শান্তনু ঠাকুর, বান্ডি সঞ্জয়, বিএল ভার্মা, শোভা কারান্দলাজে, রাভনীত সিং বিট্টু, সর্বানন্দ সোনোওয়াল, মনোহর লাল খাট্টার, হার্শ মালহোত্রা, নিত্যানন্দ রায়, অজয় টামটা, সাবিত্রী ঠাকুর, ধর্মেন্দ্র প্রধান, নির্মলা সীতারামান।
এর বাইরে তেলুগু দেশম পার্টির (টিডিপি) রামমোহন নাইডু কিঞ্জরাপ্পু ও চন্দ্রশেখর পেমাসানি মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন।
এ তালিকায় আরও রয়েছেন জনতা দলের (ইউ) রামনাথ ঠাকুর, রিপাবলিকান পার্টি অব ইন্ডিয়ার (এ) রামদাস আথাওয়ালে, আপনা দলের অনুপ্রিয়া প্যাটেল, রাষ্ট্রীয় লোক দলের জয়ন্ত চৌধুরী, হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চার জিতান রাম মানজি, লোক জনশক্তি পার্টির (রাম বিলাস) চিরাগ পাসওয়ান, জনতা দলের (সেকুলার) এইচডি কুমারাস্বামী, শিবসেনার প্রতাপরাও যাদব।
রোববার সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে রাষ্ট্রপতি ভবনে মোদির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে। এনডি জোটের সব জয়ী প্রার্থীকে সেখানে হাজির থাকতে বলা হয়েছে। সন্ধ্যা ৬টার মধ্যেই পৌঁছে যাবেন সবাই। এ ছাড়া ওই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট বিক্রমসিঙ্ঘে, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহম্মদ মুইজ্জুর মতো রাষ্ট্রনেতারা থাকবেন। ইতিমধ্যে তাঁরা দিল্লিতে পৌঁছেছেন।
দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে সাত দফায় ভোটগ্রহণের পর গত ৪ জুন ভারতের লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হয়। নির্বাচনে বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় শরিকদের হাত ধরে এবার জোট সরকার গঠন করতে হচ্ছে মোদিকে।
এদিকে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজধানী দিল্লিতে জারি করা হয়েছে সতকর্তা।



