দেশের মানুষ টানা তৃতীয়বারের মতো এনডিএ'র ওপর আস্থা রেখেছে। ভারতের ইতিহাসে এটি এক নজিরবিহীন মুহূর্ত বলে মন্তব্য করেছেন নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক এবং এক্সে দেওয়া পোস্টে নরেন্দ্র মোদি এসব কথা লিখেন।
মোদির ফেসবুক পোস্টে লেখা হয়, ‘আমি দেশের মানুষকে এই ভালবাসা এবং আশীর্বাদের জন্য অভিবাদন জানাই। আমি দেশবাসীকে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, তাদের আকাঙ্খা পূরণের লক্ষ্যে আমরা নতুন শক্তি, নতুন উদ্যম, নতুন সংকল্প নিয়ে এগিয়ে যাবো। সকল কর্মীদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানাই।'
এদিকে এক্সে দেওয়া পোস্টে লেখা হয়, ‘জনগণ এনডিএ-তে আস্থা রেখেছে, টানা তৃতীয়বার! ভারতের ইতিহাসে এটি একটি ঐতিহাসিক কীর্তি। আমি জনতাকে এই ভালোবাসার জন্য প্রণাম জানাই এবং তাদের আশ্বস্ত করি যে আমরা জনগণের আশা-আকাঙ্খা পূরণ করতে গত দশকে করা ভাল কাজ চালিয়ে যাব। আমি আমাদের সমস্ত কর্মীকে তাদের কঠোর পরিশ্রমের জন্য অভিনন্দন জানাই। শুধু কথা দিয়ে তাদের ওই প্রচেষ্টাকে সুবিচার করা হবে না।
ভারতের নির্বাচনের ভোট গণনায় ২৯০ আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপির জোট এনডিএ। অন্যদিকে, কংগ্রেসের ইন্ডিয়া জোট ২৩৪ আসনে এগিয়ে আছে। তবে, ফলাফল প্রকাশিত হলেই বুঝা যাবে কে বসতে চলেছেন দিল্লির মসনদে।
এদিকে, ভারতের লোকসভা নির্বাচনে গুজরাটের বারানসী আসন থেকে ১ লাখ ৫২ হাজার ৫১৩ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মোদি ৬ লাখ ১১ হাজার ৪৩৯ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেসের অজয় রায় পেয়েছেন ৪ লাখ ৬০ হাজার ৪৫৭ ভোট।
ভোটের লড়াইয়ে কংগ্রেসের রাহুল গান্ধীর চেয়ে পিছিয়ে আছেন তিনি। নির্বাচন কমিশনের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, উত্তর প্রদেশের রায়বারেলিতে রাহুল গান্ধী তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী দিনেশ প্রতাপ সিংয়ের চেয়ে তিন লাখ ভোট বেশি পেয়ে জয়ী হয়েছেন। সেখানে মোদি দেড় লাখ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।
লোকসভা নির্বাচনের পঞ্চম ধাপে গত ২০ মে রায়বারেলিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২০০৪ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত আসনটিতে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন সোনিয়া গান্ধী। আসনটি গান্ধী–নেহেরু পরিবারের সদস্যদের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এর আগেও এই আসনটি থেকে সঞ্জয় গান্ধী ও রাজিব গান্ধী নির্বাচিত হয়েছিলেন।



