পটুয়াখালী কলাপাড়ায় ঘূর্ণিঝড় রিমালের হাত থেকে ফুফু ও বোনকে রক্ষা করতে গিয়ে মো. শরীফ(২৭) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার দুপুরে ধূলাসর ইউনিয়নের কাউয়ারচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মৃত শরীফ অনন্তপাড়া এলাকার আবদুর রহিমের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শরীফের ফুপু মাতোয়ারা বেগম কাউয়ার চর এলাকায় বসবাস করেন। ওই বাড়িতে তার বোনও ছিলো। আজ দুপুর দুইটার দিকে অনন্তপাড়া থেকে শরীফ তার বড় ভাই ও ফুফাকে নিয়ে বোন এবং ফুফুকে উদ্ধার করতে যায়। এসময় সমুদ্রের পানিতে কাউয়ারচর এলাকা ৫ থেকে ৭ ফুট পানিতে প্লাবিত ছিলো। সাতার কেটে তারা ফুফুর ঘরে যাওয়ার সময় সমুদ্রের ঢেউয়ের তোড়ে শরীফ হারিয়ে যায়। পরে একঘণ্টা পর ওই স্থান থেকে শরীফের লাশ উদ্ধার করে স্থানীয়রা।
মহিপুর থানার ওসি আনোয়ার হোসেন তালুকদার জানান, ঘটনাস্থলো পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
এদিকে, ঘূর্ণিঝড় রিমালের অগ্রভাগ বাংলাদেশ উপকূলে প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ঘূর্ণিঝড়টি সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৪ থেকে ৫ ঘণ্টায় বাগেরহাটের মংলা ও পটুয়াখালির খেপুপাড়া দিয়ে অতিক্রম করবে। ঘুর্ণিঝড়টির অগ্রভাগ উপকূলে প্রবেশ করায় পটুয়াখালিতে বাতাসের বেগ ঘণ্টায় ৭২ কিলোমিটার আর মংলায় ৫৭ কিলোমিটার।’
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হচ্ছে। কোথাও কোথাও আছে দমকা হাওয়া। নদীতে জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে দুই-তিন ফুট উচ্চতায় জোয়ারের পানি প্রবাহিত হচ্ছে। উপকূলবাসীকে সতর্ক করতে ও নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে জেলায় জেলায় চলছে মাইকিং। ঘূর্ণিঝড় রিমাল মোকাবিলায় আট থেকে নয় হাজার নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে।



