উপকূলীয় বাগেরহাটের দুর্যোগপ্রবণ এলাকার মানুষের জন্য খুলে রাখা ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রে প্রায় ৭০ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। রোববার রাত নয়টায় এক বিজ্ঞপ্তিতে বাগেরহাটের ত্রাণ ও পূনর্বাসন কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান এই তথ্য জানিয়েছেন। উপকূলীয় বাগেরহাটের মানুষের আশ্রয়ের জন্য ৩৫৯টি ঘুর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত করে জেলা প্রশাসন।
এদিকে, ঘুর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে দমকা ঝড়ো হাওয়ায় বিদ্যুতের লাইনের উপর গাছপালা উপড়ে পড়ায় বাগেরহাট জেলা জুড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।
বাগেরহাটের ত্রাণ ও পূনর্বাসন কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান বলেন, ‘ঝড়ে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে নদী তীরবর্তী এলাকায় বসবাস করা জনসাধারণের জন্য জেলায় ৩৫৯টি ঘুর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়। রোববার সকাল থেকে রেডক্রিসেন্ট,সিপিপি, স্কাউটসহ বিভিন্ন সেচ্চাসেবী সংগঠনের পাঁচ সহস্রাধিক স্বেচ্ছাসেবক ঝুঁকিতে থাকা মানুষদের আশ্রয় কেন্দ্রে আনতে মাইকিং করে। দুপুরের পর থেকে নারী, পুরুষ ও শিশুরা আশ্রয় কেন্দ্রে আশা শুরু করে। রাত পর্যন্ত এসব আশ্রয় কেন্দ্রে ৭০ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। এছাড়া চার হাজারের বেশি গৃহপালিত গরু ছাগলও আশ্রয় কেন্দ্রে নিরাপদে রাখা হয়েছে।’
বাগেরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক সুশান্ত রায় রাতে বলেন, ‘বাগেরহাট জেলায় চার লাখ ৮৫ হাজারের বেশি গ্রাহক রয়েছে। ঝড়ের প্রভাবে দমকা ঝড়ো হাওয়ায় পল্লী বিদ্যুতের মূল সঞ্চালন লাইনের বিভিন্ন স্থানে গাছপালা উপড়ে পড়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ঝড়ে বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়েছে। এতে কমবেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দুর্যোগ শেষ হলে লাইনে কাজ করে বিদ্যুৎ সংযোগ পূনরায় চালু করা হবে।’



