ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে দেশের ১৯টি জেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে মারা গেছেন ১০ জন। আর মোট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৩৭ লাখ ৫৮ হাজার ৯৬ জন মানুষ।
সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে সাড়ে ৩৬ হাজার ঘরবাড়ি। আর আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৯৯২টি ঘর। ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য ৬ কোটি ৮৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসাসেবা দিতে ১ হাজার ৪৭১টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে, যার মধ্যে চালু আছে ১ হাজার ৪০০ টিম। দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার জন্য সব মন্ত্রণালয় সমন্বয় করে কাজ করা হবে।
এ সময় ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের প্রধান ড. শামীম হাসান ভূঁইয়া জানান, আগামীকাল পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বৃষ্টি থাকবে। তাই, ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে জনভোগান্তি শিগগিরই কমছে না।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়টি রোববার রাত ৮টার দিকে উপকূলে আঘাত করে। এদিকে, সোমবার সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, শক্তি হারিয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমাল স্থল গভীর নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে।
বৃষ্টির পরিমাণ বাড়িয়ে তা স্থল নিম্নচাপে পরিণত হবে। পাশাপাশি বন্দরগুলোকে মহাবিপদ সংকেত নামিয়ে স্থানীয় সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।



