প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডব এড়াতে চট্টগ্রামের পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে থাকা বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে নির্দেশনা দিয়েছে জেলা প্রশাসন। রোববার রাতে আকবর শাহ এলাকায় পাহাড়ে বস্তি পরিদর্শন শেষে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
শনিবার সন্ধ্যা থেকে নগরীর টাইগারপাস, মতিঝর্ণা, ষোলশহর, আকবর শাহসহ নানা জায়গায় ঝুঁকিপূর্ণূ অবস্থায় বাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে মাইকিংসহ প্রচারণা শুরু করে জেলা প্রশাসন। রোববার রাতে আকবরশাহ এলাকার বেশ কয়েকটি বস্তি পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান। এ সময় সেখান থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে নির্দেশ দেন তিনি। পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এলাকার আকমল আলীঘাট জেলে পল্লী ও রাসমনি ঘাটের জেলে পাড়াও পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক।
আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন, ‘লোকজনকে বুঝিয়ে পাহাড় থেকে নামিয়ে নিয়ে আসা একটি চ্যালেঞ্জ আমাদের জন্য। গতকাল থেকে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। অনেকেই আশ্রয়কেন্দ্র এসেছিল। তবে গতকাল দিনে রোদ দেখে অনেকেই চলে গেছে। তাদের সকলকেই পাহাড় থেকে নামিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়ার হবে।’
এদিকে, আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমাল পূর্ণশক্তি নিয়ে উপকূল অতিক্রম করছে। আজ সোমবার বেলা ১০টার পর থেকে দুর্বল হতে শুরু করবে ঘূর্ণিঝড়টি। রিমালের প্রভাবে এরই মধ্যে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন:
- প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত রিমাল, পায়রা-মোংলায় ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত
- ঘূর্ণিঝড়ের মাস হয়ে উঠছে মে
- বঙ্গোপসাগরে ভয়ংকর যত ঘূর্ণিঝড়
- রাতে ১৩৫ কি.মি. গতিতে আঘাত হানতে পারে রিমাল
- ঘূর্ণিঝড় রিমাল: পায়রা ও মোংলায় ৭ নম্বর বিপদসংকেত
- ঘূর্ণিঝড় রিমাল মোকাবিলায় প্রস্তুত ৪ হাজার আশ্রয়কেন্দ্র
- ‘সাতক্ষীরা থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত আক্রান্ত হতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে’
- বন্দরে ৩ নম্বর সংকেত, ১০ ফুট জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা
- পাউবোর কন্ট্রোল রুম চালু, কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল
- পূর্ণশক্তি নিয়ে উপকূল অতিক্রম করছে ‘রিমাল’, রাজধানীতে বৃষ্টি
- রিমালে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হলে সংশ্লিষ্ট উপজেলার ভোট বাতিল
- দুর্গত এলাকায় সোমবার সব স্কুল বন্ধ: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী
- হাতিয়ার ১৪ গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দী হাজারো মানুষ
- খাগড়াছড়িতে পাহাড় ধসের শঙ্কা, খোলা হয়েছে ১০০ আশ্রয় কেন্দ্র
- ঘূর্ণিঝড় রিমালে লক্ষ্মীপুরে ১৫ গ্রাম প্লাবিত
- সুন্দরবনের ১৬ স্টেশন প্লাবিত



