শক্তি হারিয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমাল স্থল গভীর নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি বলছে, বৃষ্টির পরিমাণ বাড়িয়ে তা স্থল নিম্নচাপে পরিণত হবে। পাশাপাশি বন্দরগুলোকে মহাবিপদ সংকেত নামিয়ে স্থানীয় সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় রিমাল নিয়ে আবহাওয়ার বিশেষ (১৯) ও শেষ বিজ্ঞপ্তিতে আজ সোমবার সকালে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কয়রা, খুলনায় অবস্থান করা প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমাল উত্তর দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে স্থল গভীর নিম্নচাপ হিসাবে বর্তমানে যশোর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমশও বৃষ্টিপাত বাড়িয়ে স্থল নিন্নচাপে পরিণত হবে।
একারণে পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৩ নন্বর স্থানীয় সতর্ক দেখাতে বলা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে এবং সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট এই ঘূর্ণিঝড়টি রোববার রাত ৮টার দিকে উপকূলে আঘাত করে। এই ঝড়ের প্রভাবে গতকাল থেকে আজ সোমবার পর্যন্ত পটুয়াখালী, সাতক্ষীরা, ভোলা, চট্টগ্রামে মোট ৪ জনের মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
আরও পড়ুন:
- প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত রিমাল, পায়রা-মোংলায় ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত
- ঘূর্ণিঝড়ের মাস হয়ে উঠছে মে
- বঙ্গোপসাগরে ভয়ংকর যত ঘূর্ণিঝড়
- রাতে ১৩৫ কি.মি. গতিতে আঘাত হানতে পারে রিমাল
- ঘূর্ণিঝড় রিমাল: পায়রা ও মোংলায় ৭ নম্বর বিপদসংকেত
- ঘূর্ণিঝড় রিমাল মোকাবিলায় প্রস্তুত ৪ হাজার আশ্রয়কেন্দ্র
- ‘সাতক্ষীরা থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত আক্রান্ত হতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে’
- বন্দরে ৩ নম্বর সংকেত, ১০ ফুট জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা
- পাউবোর কন্ট্রোল রুম চালু, কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল
- পূর্ণশক্তি নিয়ে উপকূল অতিক্রম করছে ‘রিমাল’, রাজধানীতে বৃষ্টি
- রিমালে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হলে সংশ্লিষ্ট উপজেলার ভোট বাতিল
- দুর্গত এলাকায় সোমবার সব স্কুল বন্ধ: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী
- হাতিয়ার ১৪ গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দী হাজারো মানুষ
- খাগড়াছড়িতে পাহাড় ধসের শঙ্কা, খোলা হয়েছে ১০০ আশ্রয় কেন্দ্র
- ঘূর্ণিঝড় রিমালে লক্ষ্মীপুরে ১৫ গ্রাম প্লাবিত
- সুন্দরবনের ১৬ স্টেশন প্লাবিত



